কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়ন এর বসন্তপুর গ্রামে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতের দিকে এক শিশু সেপটিক ট্যাংকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বরণ করেছে। নিহত শিশু হল সুমাইয়া তাবাসসুম (৪), যিনি স্থানীয় প্রবাসী ছালেহ আহমেদের দ্বিতীয় কন্যা।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, বিকেল ৫টার দিকে সুমাইয়া নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। রাত ৮টার পর পাশের বাড়ির আব্দুল খালেকের পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে শিশুটিকে দেখতে পান এবং দ্রুত উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রবিউল হাসান জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শিশুটি মারা গেছেন।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে তদন্তে জানা গেছে শিশুটি খেলতে গিয়ে পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
স্থানীয়রা সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যেন ভবিষ্যতে পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানের আশেপাশে শিশুদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, পরিত্যক্ত টয়লেট, সেপটিক ট্যাংক বা নির্মাণাধীন এলাকায় শিশুদের একা রাখার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি এবং তা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবারের তৎপরতা অপরিহার্য।
শিশুর আকস্মিক মৃত্যু পুরো এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে, এবং স্থানীয়রা নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতি গুরুত্বারোপ করছেন।